প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ফরহাদ হুসাইন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
জামায়াত–সমর্থিত জোটের জয় পাওয়া আসনগুলোতে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। এরই অংশ হিসেবে কুষ্টিয়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে এক যুবদল নেতাকে এলাকাবাসীর সহায়তায় আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তরের ঘটনা ঘটেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ আসনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা। নির্বাচনের পর তিনি ১০০ দিনের মধ্যে কুষ্টিয়াকে চাঁদাবাজিমুক্ত করার ঘোষণা দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া দেশের অন্যতম চাল উৎপাদনকারী অঞ্চল। সদর উপজেলার খাজানগর এলাকায় অসংখ্য চালকল গড়ে উঠেছে। মিলমালিকদের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন সময় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী কয়েক শ’ হাজার থেকে কোটি টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করত। সে সময় অভিযোগ জানালেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হতো না বলে তারা দাবি করেন।
নির্বাচনের পর মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) খাজানগরের হাফছা ট্রেডিং নামের একটি চালকলে যুবদলের এক নেতা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় স্থানীয়রা ওই নেতাকর্মীদের অবরুদ্ধ করে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেয়। পরে তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করা হয়।
ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট যুবদল নেতাকর্মীদের দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে কুষ্টিয়ায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হবে।
মন্তব্য করুন