প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৫:০২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোর জেলার কেশবপুর, মনিরামপুর, ডুমুরিয়া ও অভয়নগরসহ ৯৬ অঞ্চলে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের কাছ থেকে জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি চরমপন্থী সংগঠনের বিভিন্ন গ্রুপের সদস্য পরিচয় দিয়ে এই চাঁদাবাজি চালানো হচ্ছে।
অভিযোগের কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে উঠে এসেছে কানা সুকৃতি মণ্ডল নামের এক ব্যক্তি। তিনি কেশবপুর থানার আড়ুয়া গ্রামের সতীশ মণ্ডলের ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানায়, কানা সুকৃতি মণ্ডল একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি এবং বর্তমানে ভারতে পলাতক রয়েছেন।
জানা গেছে, তিনি ভারত থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন ঘের ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করছেন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে গৌর ঘোষ নামের এক ঘের ব্যবসায়ীর কাছ থেকে দুই লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই অর্থ তার বড় দাদা মহিতোষ মণ্ডলের মাধ্যমে ভারতে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
তথ্য অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, প্রায় ১৫–১৬ বছর আগে কানা সুকৃতি মণ্ডল ওই চরমপন্থী দলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে নারী ঘটিত নানা অভিযোগের কারণে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। সে সময় তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হন এবং ওই ঘটনার পর গোপনে ভারতে পালিয়ে যান। বর্তমানে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মসলন্দপুর এলাকায় বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে তিনি ভারতের অবস্থান থেকেই একাধিক ব্যক্তিকে ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করছেন। এ কাজে তিনি ‘আকাশ’ নামে একটি মেসেঞ্জার আইডি এবং একটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন