প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন যে ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইটি)-এর ৪৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী তারিকুল ইসলাম (৩২)-এর সঙ্গে তার পূর্বে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল, যা পরবর্তীতে ভেঙে যায়। মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত হলের সামনে এসে ‘শেষবারের মতো কথা বলার’ কথা বলে তাকে বাসায় যেতে চাপ দেন। রাজি না হলে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেইল করা হয় বলে অভিযোগ।
পরে ইফতার সামগ্রী কেনার কথা বলে তাকে অভিযুক্তের বাসায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তার মুখে টেপ লাগিয়ে মারধর করা হয় এবং হাতের ওপর গরম পানি ঢেলে দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগী। একপর্যায়ে তিনি ক্ষতের ওষুধ আনার কথা বললে অভিযুক্ত বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে ভুক্তভোগী জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের চিকিৎসক তানভীর হোসেন জানান, ছাত্রীর হাতের তিন থেকে চার সেন্টিমিটার অংশ পুড়ে গেছে। পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা না থাকায় তাকে সাভারে স্থানান্তর করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানা-এর ওসি রুবেল হাওলাদার জানান, ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন