প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১০:১২ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

কেশবপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

আলী হামজা, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে যশোরের কেশবপুরে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থা (অসকস) কেশবপুর শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় কেশবপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুক্তার আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আলোকেশ কুমার সরকার এবং কেশবপুর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ও পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির প্রভাষক জাকির হোসেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অসকসের সদস্যরা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে সফেদাসহ বিভিন্ন ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে অসকস কেশবপুর শাখার সভাপতি মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার (অব.) কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যরা কর্মজীবনে অর্জিত দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধকে ধারণ করে অবসর জীবনেও সমাজসেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ, শিক্ষা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুক্তার আলী বলেন, “দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যরা সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ লাগিয়ে তার পরিচর্যা করতে হবে। তাহলেই আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আলোকেশ কুমার সরকার বলেন, “গাছ শুধু অক্সিজেনের উৎস নয়, এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অসকসের এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।”

অনুষ্ঠানে অসকস কেশবপুর শাখার উপদেষ্টা, বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি শেষে দেশ, জাতি এবং সংগঠনের সদস্যদের কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য করুন