প্রকাশিত: ৪২ মিনিট আগে, ১০:৩২ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

ভেরিফিকেশনে নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ, আন্দোলনে যাচ্ছেন প্রার্থীরা

 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীরা।

‘চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক-২০২৫’ প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশাসনিক যাচাই-বাছাই বা ভেরিফিকেশনের কথা বলে সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই অনেক যোগ্য প্রার্থীকে চূড়ান্ত নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।

গত আট মাস ধরে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আন্দোলন করে আসছেন।

পাঁচ দফা দাবি

আন্দোলনকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের নথি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনরায় যাচাই করা; তথ্যগত ভুল বা অসংগতির ক্ষেত্রে আত্মপক্ষ সমর্থন ও আপিলের সুযোগ দেওয়া; প্রশাসনিক ভুল বা কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে কোনো প্রার্থী বাদ পড়ে থাকলে তা সংশোধন করে নিয়োগ নিশ্চিত করা।

এ ছাড়া চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত কিন্তু এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া এবং পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়ায় এমন পরিস্থিতির কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।

এদিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা আগামী সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ওই দিন সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হওয়ার কথা জানিয়েছেন তাঁরা।

সুপারিশবঞ্চিতদের একজন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মো. লোকমান বলেন, এখনো কয়েকটি জেলার পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ পাওয়া তথ্যমতে, প্রায় ১ হাজার ৫০০ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি। সব জেলার তথ্য পাওয়া গেলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা আগামী সোমবার সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হব। এরপর সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’

মন্তব্য করুন