প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে

৪০ জনের মরদেহ পানির নিচে: ফায়ার সার্ভিস

আমাদের সকাল ডেস্ক: 
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী একটি বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখনও প্রায় ৪০ জনের মরদেহ পানির নিচে রয়েছে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বাসটিতে থাকা প্রায় ৪০ জন যাত্রীর মরদেহ নদীর নিচে রয়েছে। উদ্ধার তৎপরতায় ফায়ার সার্ভিসের দুজন ডুবুরি ও দুজন সহকারী ডুবুরি অংশ নিয়েছেন। এছাড়া পাঁচ সদস্যের একটি দলও উদ্ধার কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছে।

এদিকে রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এসএম মাসুদ বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। জানা গেছে, একটি ফেরি পন্টুনে সজোরে আঘাত করলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে তলিয়ে যায়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’। দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তারা জানান, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসটিতে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই পাঁচ থেকে সাতজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তবে বাসে থাকা বাকি যাত্রীদের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

উদ্ধারকারী দল জানায়, নিখোঁজদের সন্ধানে জোরালোভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
 

মন্তব্য করুন