প্রকাশিত: ৪ জুলাই, ২০২৬, ০৩:১২ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেন প্রতারণার শিকার ৭ শিক্ষার্থী

ছবি সংগ্রীহিত

 

ফরম পূরণের টাকা যথাসময়ে জমা দিলেও কলেজ কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও অনিয়মের কারণে প্রথম দিনের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা বগুড়ার সাত শিক্ষার্থী বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় পাঁচজন শিক্ষার্থী অংশ নেন। অপর দুই শিক্ষার্থীর প্রথম পরীক্ষা ইংরেজি বিষয়ে হওয়ায় তারা নির্ধারিত সময়েই সেই পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে ছয়জন শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের এবং একজন সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হলেও প্রবেশপত্র না থাকায় তারা পরীক্ষা দিতে পারেননি। পরে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে জেলা প্রশাসন, জেলা শিক্ষা অফিস এবং রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ে জরুরি ভিত্তিতে তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন করে প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয়।

প্রবেশপত্র পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন— মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের মো. হাসর, সম্রাট সরকার, তৌহিদুর রহমান তামিম, মইনুর ইসলাম, অমিত হাসান ও সাব্বির হোসেন এবং চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজের সুমাইয়া আক্তার।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তারা নির্ধারিত সময়েই ফরম পূরণের অর্থ কলেজে জমা দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সময়মতো শিক্ষা বোর্ডে তা জমা দেয়নি। ফলে তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়নি এবং প্রবেশপত্রও ইস্যু করা হয়নি। এ কারণে তারা বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ হারান।

বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসন, শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মতিউর রহমান জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা বোর্ডে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করা হয় এবং দ্রুত শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

সরকারি এম এইচ কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব অধ্যাপক আবুল কালাম আসাদ বলেন, প্রবেশপত্র পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। যাদের প্রথম পরীক্ষা ইংরেজি বিষয়ে, তারা নির্ধারিত সময়েই সেই পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

বগুড়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী আকন্দ বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যারা প্রতারণা করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া প্রথম দিনের যে পরীক্ষাটি তারা দিতে পারেননি, সে বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য করুন