প্রকাশিত: ৫ ঘন্টা আগে, ০৪:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
সোহেল মিয়া:বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আকানগর এস.ই.এস.ডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের কৃতী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট, অর্থ পুরস্কার ও বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। বৃহত্তর আকানগর ছাত্রকল্যাণ পরিষদ ও আকানগর জাগ্রত তরুণ সংগঠনের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ক্রেস্ট। মেধাবী শিক্ষার্থীদের খাতা, কলম, অর্থসহ বিভিন্ন উপহার দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর মাঝেও খাতা-কলম বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আকানগর এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আফজাল হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আমির হোসেন এবং তেজখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আকানগরের বিসিএস ক্যাডার তারেক রহমান, আকানগর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালাউদ্দিন আহমেদ সুমন, আকানগর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদ, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আল মামুন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. মোহন মেম্বার, কামরুল ইসলাম বাহার, শাহাবুদ্দিন, সাহিদ মিয়া, আবু বকর আইয়ূবী, খাইরুল মিয়া, আরিয়ান সরকার, সাইদুল মিয়া, ইমন, ফাহিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাবেক ছাত্র ও অভিভাবকরা।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বৃহত্তর আকানগর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সদস্য সচিব আরিফ খান সুমন ও সদস্য আবু কাউছার সুজন। অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন আকানগর জাগ্রত তরুণ সংগঠনের সভাপতি মো. মইনুল ইসলাম সোহাগ।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধার যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া, তাদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করা এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষাজীবনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
তারা আরও বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দেওয়ার মাধ্যমে অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যেও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি হবে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
মন্তব্য করুন