প্রকাশিত: ৩১ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৩২ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

স্বচ্ছতায় দৃষ্টান্ত, খাল পুনর্খনন শেষে অবশিষ্ট ১০ লাখ টাকা ফেরত দিল উপজেলা প্রশাসন

ছবি: পাঁচবিবি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাশপিয়া তাসরিন

 

 

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় একটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর অব্যবহৃত ১০ লাখ ৮৭ হাজার ২৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় সাশ্রয় ও আর্থিক স্বচ্ছতার এ উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্য নিয়ে উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখননের জন্য সরকারি অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের পুরো প্রক্রিয়ায় ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মিতব্যয়িতার নীতি অনুসরণ করা হয়।

প্রশাসনের দাবি, কাজের গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখেই অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এড়ানো সম্ভব হওয়ায় প্রকল্প শেষে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ২৬৫ টাকা অব্যবহৃত থাকে। সরকারি আর্থিক বিধি অনুযায়ী সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় করার প্রবণতার বিপরীতে অব্যবহৃত অর্থ কোষাগারে ফেরত দেওয়া একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। এতে একদিকে যেমন সরকারি অর্থের সাশ্রয় নিশ্চিত হয়েছে, অন্যদিকে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিষয়টিও প্রতিফলিত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, খাল পুনঃখননের ফলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে, বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং কৃষি কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের এই উদ্যোগ প্রশাসনের প্রতি জনআস্থাও বাড়াবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন জানায়, ভবিষ্যতেও প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ সাশ্রয়ের নীতি অনুসরণ করা হবে। জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কথাও জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, সরকারি প্রকল্পে এ ধরনের আর্থিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে উন্নয়নের মান যেমন বাড়বে, তেমনি জনগণের করের অর্থের যথাযথ ব্যবহারও নিশ্চিত হবে।

মন্তব্য করুন