প্রকাশিত: ৩ ঘন্টা আগে, ০৪:৩৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
আলী হামজা, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের কেশবপুর উপজেলায় আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে বিস্তীর্ণ এলাকার পাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। হঠাৎ এ দুর্যোগে ফসলের ক্ষতি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।
বৃহস্পতিবার (বিকাল ৪টার দিকে) আকাশে হঠাৎ মেঘ জমে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টির সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় বয়ে যায়। এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ধানখেতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
সরেজমিনে বুড়িহাটী, প্রতাপপুর, চৌরাস্তা, বাগদা, মঙ্গলকোট, কন্দপপুর ও দোরমুটিয়া এলাকায় দেখা গেছে, ব্রি-২৮ জাতের অধিকাংশ ধান জমিতে নুয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও জমির পর জমি জুড়ে ধান মাটির সঙ্গে লেপ্টে রয়েছে, যা দেখে হতাশ কৃষকেরা।
বুড়িহাটী গ্রামের কৃষক সহরাব হোসেন, হাফিজুর রহমান ও হাবিবুর রহমান বলেন,
“হঠাৎ ঝড়ে আমাদের প্রায় সব ধান পড়ে গেছে। এখন যদি জমিতে পানি জমে থাকে, তাহলে ধান চিটা হয়ে যেতে পারে। এতে ফলন অনেক কমে যাবে।”
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ধান পাকার শেষ পর্যায়ে থাকায় এ সময়ের এমন দুর্যোগে ক্ষতির আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। অনেক কৃষক শ্রমিক সংকটের মধ্যেও দ্রুত ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন,
“ব্রি-২৮ ধান পাকার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ কারণে পড়ে গেলেও চিটা হওয়ার আশঙ্কা তুলনামূলক কম। তবে জমির উর্বরতা বেশি থাকা এবং অতিরিক্ত সার ব্যবহারের কারণে অনেক ক্ষেত্রে ধান লজিং হয়েছে। কৃষকদের দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”
হঠাৎ এ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতির শঙ্কায় কেশবপুরের কৃষকরা দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ক্ষতির একটি অংশ পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন