প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:২২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ইসলাম, বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি :
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।
এনএসআইয়ের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে বাঘারপাড়া উপজেলার ধলগ্রাম ইউনিয়নের দড়ি আগড়া গ্রামের বাসিন্দা চুন্নু মোল্লার বাড়িতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ওই বাড়ি থেকে ১০টি শক্তিশালী গ্রেনেড ও ৩টি বিদেশি পিস্তলসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাণঘাতী অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন আকিবের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উদ্ধার করা অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে—১০টি গ্রেনেড, যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত ৭.৬৫ এমএম ক্যালিবারের ৩টি বিদেশি পিস্তল, ১৯ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, একটি চাপাতি, একটি ছুরি ও একটি খুর।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, অভিযান শুরু হওয়ার আগেই বাড়ির সদস্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে চুন্নু মোল্লার ছেলে রায়হান মোল্লা (২৮)-কে শনাক্ত করা হয়েছে। পুলিশের তথ্যমতে, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
যৌথ বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও বিস্ফোরকগুলো জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। নির্বাচন সামনে রেখে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই অস্ত্রভাণ্ডার গড়ে তোলা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এলাকাজুড়ে চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আব্দুর রাকিব, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে চোলাইমদসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে জেলার সদর মডেল থানাধীন আরামবাগ গ্রাম এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে মোঃ আবু বক্কর (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে ১৪ (চৌদ্দ) লিটার চোলাইমদসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আবু বক্কর আরামবাগ গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোঃ ফুল চান খা এবং মাতার নাম মোছা: নুরজাহান।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন