প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ওমর ফারুক:
রাজধানীর মিরপুর কলেজের ১৩ জন খণ্ডকালীন শিক্ষককে ঢাকার বিনিময়ে স্থায়ী করার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মাউশি ও এনটিআরসির নির্দেশনা উপেক্ষা করে পরিকল্পিতভাবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বোর্ড গঠন ও নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।
পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় এক কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওযা গেছে।
গত ২৯ অক্টোবর জাতীয় দৈনিকে ১৩ জন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে গভর্নিং বডির সভায় এ বিষয়ে সুস্পষ্ট এজেন্ডা বা লিখিত সিদ্ধান্ত ছিল না। বিজ্ঞপ্তিতে বিভাগীয় প্রার্থীদের অগ্রাধিকার ও অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলের শর্ত যুক্ত করা হয়, যা আগে থেকেই কর্মরত খণ্ডকালীন শিক্ষকদের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছিল।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২৩ অক্টোবর ২০১৯ ও ১৫ নভেম্বর ২০২৫ সালের আদেশ অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ কেবল এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে হওয়ার কথা। কিন্তু অভিযুক্ত ১৩ জনের মধ্যে অধিকাংশের নিবন্ধন সনদ নেই বা প্রযোজ্য নিয়ম পূরণ হয়নি। ইচ্ছাকৃতভাবেই কেন্দ্রীয় নিয়োগব্যবস্থাকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে এই নিয়োগে।
বিধি অনুযায়ী নিয়োগ বোর্ডে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও মাউশির প্রতিনিধির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক থাকলেও এই নিয়োগের ক্ষেত্রে মাউশির কোন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। বিকল্প হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই প্রতিনিধি নেওয়ার বিধানও যথাযথভাবে মানা হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে , পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় এক কোটি টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে। পরীক্ষার খরচ দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
কয়েকজন প্রার্থী দাবি করেন, “যোগ্যতা নয়, অর্থই ছিল নিয়োগের প্রধান শর্ত।”
কলেজের অধ্যক্ষ জানান, নিয়োগ গভর্নিং বডির বিষয়। আমরা এসব বিষয়ে কিছু জানিনা।
ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ বলেন, নিয়ম মেনেই পরীক্ষা হয়েছে।
গভর্নিং বডির সভাপতি দাবি করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন