প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৫:৩৯ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর ৬০ উদ্যোগ: ‘অবিস্মরণীয় অর্জন’ দাবি সরকারের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । ছবি: সংগ্রীহিত

 

সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই মাস পূর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এসব উদ্যোগকে ‘অবিস্মরণীয় অর্জন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী-ও উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারের এই স্বল্প সময়ে নেওয়া পদক্ষেপগুলো দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি, কৃষি ও প্রশাসনিক সংস্কারসহ বিভিন্ন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে।

প্রধান উদ্যোগগুলোর সংক্ষিপ্ত চিত্র

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ৬০টি পদক্ষেপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু উদ্যোগ হলো—

  • নারীর ক্ষমতায়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু, যার আওতায় ইতোমধ্যে হাজারো পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
  • কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের ঋণ মওকুফ।
  • ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ।
  • জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভর্তুকি বৃদ্ধি ও বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ।
  • নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে সৌরশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি।
  • দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজরদারি ও আমদানি কার্যক্রম জোরদার।
  • ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ইমাম, পুরোহিত, ভিক্ষু ও যাজকদের জন্য সম্মানী প্রদান।
  • প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ।
  • স্বাস্থ্যখাতে এক লাখ নতুন কর্মী নিয়োগ ও ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত।
  • শিক্ষা খাতে ভর্তি ফি বাতিল, বৃত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং নতুন শিক্ষক নিয়োগ।
  • কর্মসংস্থান বাড়াতে বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর উদ্যোগ ও বিদেশে শ্রমবাজার সম্প্রসারণ।
  • পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং নদী রক্ষা আইনের সংশোধন উদ্যোগ।
  • প্রশাসনে ডিজিটালাইজেশন ও অনলাইন সেবা বাধ্যতামূলক করা।
  • আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চাঁদাবাজি ও অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ।

এছাড়া, অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ, বিমানবন্দর ও পরিবহন খাতে আধুনিকায়নসহ নানা পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়।

সরকারের লক্ষ্য

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করা এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা।

বক্তারা বলেন, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনকল্যাণ নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

মন্তব্য করুন